গর্ভাবস্থায় পেট জ্বালাপোড়া কমানোর ঘরোয়া উপায়
পেজ সূচিপত্রঃ গর্ভাবস্থায় পেট জ্বালাপোড়া কমানোর ঘরোয়া উপায়
- গর্ভাবস্থায় পেট জ্বালাপোড়া কমানোর ঘরোয়া উপায়
- পেট জ্বালাপোড়া থেকে মুক্তির সহজ উপায়
- খাদ্যাভ্যাস ও জীবন যাপনের পরিবর্তন
- পেট জ্বালাপোড়া কমানোর খাবার
- গর্ভাবস্থায় পেট জ্বালাপোড়া করলে যা করবেন
- গর্ভাবস্থায় পেট জ্বালাপোড়ার লক্ষণ
- গর্ভাবস্থায় কেন পেট জ্বালাপোড়া হয়
- গর্ভাবস্থায় এসিডিটি ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমানো
- গর্ভাবস্থায় কখন ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন
- শেষ কথাঃ গর্ভাবস্থায় পেট জ্বালাপোড়া কমানোর ঘরোয়া উপায়
গর্ভাবস্থায় পেট জ্বালাপোড়া কমানোর ঘরোয়া উপায়
খাবারের অনিয়ম ,ভাজাপোড়া খাবার বেশি খাওয়া , খাদ্যাভাসের পরিবর্তন ইত্যাদি পেট
জ্বালাপোড়ার জন্য দায়ী । পাইলোরি নামক ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রের সমস্যা সৃষ্টি করে
। যার কারণে বমি বমি ভাব এবং পেট জ্বালাপোড়া দেখা দেয়। ইতোমধ্যে গর্ভবতী যারা
হয়েছেন তাদের সবকিছু ঠিক থাকলে পরিবারে নতুন আনন্দ উপহার দিবেন আপনি। তাহলে চলুন
জেনে নিই গর্ভাবস্থায় পেট জ্বালাপোড়া কমানোর ঘরোয়া উপায় ।
- আদাঃ বমি বমি ভাব, পেটে গ্যাস, বদহজমের সমস্যা আদা বেশি কার্যকর। আদাতে জিনজালুস এবং সাগুলুস নামক দুটি উপাদান রয়েছে । যা পেটের সমস্যা দূর করে। একটি আদা কুচি এক কাপ পানিতে জ্বাল দিন । এর সাথে আপনার পছন্দমত লেবু বা মধু যোগ করতে পারেন । জ্বাল হয়ে আসলে এটি চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন। খাবার খাওয়ার আগে অথবা পরে এটি পান করুন।
- প্রচুর পানি পানঃ পানি সবচেয়ে ভালো উপশম। চেষ্টা করুন দিনে আট থেকে দশ গ্লাস পানি পান করা। পানির পরিবর্তে তরল জাতীয় খাবার। যেমনঃ যেকোনো ফলের রস । আঙ্গুর ,কমলা, আপেল, ডাব ইত্যাদি পান করতে পারেন । পানির পরিমাণ বেশি এমন সবজি এবং ফলও খেতে পারেন।
- কাঁচা কাঠবাদামঃ কাঁচা কাঠবাদাম পেট জ্বালাপোড়া কমাতে বেশ কার্যকর। কাঠ বাদামে থাকা উপাদান পাকস্থলীর গ্যাস হ্রাস করে পেট জ্বালাপোড়া রোধ করে।
পেট জ্বালাপোড়া থেকে মুক্তির সহজ উপায়
শুধু তাই নয় গর্ভাবস্থায় পেট জ্বালাপোড়া কমানোর ঘরোয়া উপায় এর পাশাপাশি
জ্বালাপোড়া থেকে মুক্তির সহজ উপায় জেনে নেওয়া আপনার জন্য অত্যন্ত জরুরী । পেট
জ্বালাপোড়া অথবা গ্যাসের সমস্যা হতে মুক্তি পেতে অ্যালোভেরা জুস পান করতে পারেন।
নিয়মিত এলোভেরা জুস শুধু পেট জ্বালাপোড়া রোধ করে না , এটি ত্বক ভেতর থেকে
উজ্জ্বল করে। বাজারে নানা রকমের অ্যালোভেরা জুস কিনতেও পাওয়া যায় সেগুলোর
পরিবর্তে নিজের ঘরে তৈরি করে নেওয়া বেশি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত।
আরো পড়ুনঃ রাতকানা রোগ কেন হয় কোন ভিটামিনের অভাবে
গাজর এবং পালং শাকের রস পেট জ্বালাপোড়া রোধে বেশ কার্যকর । কারণ এটি বেশ ঠান্ডা
জাতীয় রস হওয়ার ফলে জ্বালাপোড়া রোধ করতে অনেক সহায়ক হয়। সমানুপাতে গাজর এবং
পালং শাক একসাথে মিশিয়ে জুস তৈরি করে নিয়ে এটি প্রতিদিন পান করুন এর ফলে আপনার
পেট জ্বালাপোড়া অনেকটা নির্মূল হতে শুরু করবে এবং একসময় আপনি সম্পূর্ণরূপে
আরোগ্য লাভ করবেন । এই ধরনের জুস প্রতিদিন খেতে পারলে একসময় পেট জ্বালাপোড়া
থেকে সহজে মুক্তি পেয়ে যাবেন বলে আমি আশা করি ।
খাদ্যাভ্যাস ও জীবন যাপনের পরিবর্তন
একসাথে অনেক খাবার না খেয়ে অল্প পরিমানে বারবার খাওয়া যেতে পারে । গ্যাসের সমস্যা বেড়াতে চাইলে অল্প অল্প করে বারবার খাবার খান । অনেক সময় বেশি খাবার পাকস্থলী হজম করতে পারে না । অল্প পরিমাণ খাবার হজম করা সহজ হয় । অনেকে গর্ভকালীন সময়ে হাঁটাচলা করা কমিয়ে দেন । এ কাজটি করা একদমই উচিত নয়। প্রতিদিন নিয়ম করে কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন। এটি শুধুমাত্র খাবার হজমে সাহায্য করবে না এর সাথে মাংসপেশি সচল রাখবে।
অন্য যেকোনো ব্যায়াম করার পূর্বে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত। আপনার যদি পেট জ্বালাপোড়া করে তাহলে সেখান থেকে মুক্তি পেতে আপনাকে খাবার আস্তে আস্তে এবং ভালোভাবে চিবিয়ে খেতে হবে। খাবার দ্রুত খাওয়ার ফলে সমস্যা হয়। যা গর্ভাবস্থায় পেট জ্বালাপোড়া বাড়িয়ে দেয়। শুধু তাই নয় খাবার খেয়ে সাথে সাথে শুয়ে পড়া উচিত নয়। বরং বসে বই পড়া , ঘরের ছোট ছোট কাজ করা যায়। ধীরে ধীরে হাঁটা উচিত।
আরো পড়ুনঃ গর্ভাবস্থায় কি খেলে বাচ্চা বুদ্ধিমান হয় - বিস্তারিত জানুন
আবার এমন কোন কাজ করা উচিতনয় যা নুইয়ে বা ঝুঁকে পড়তে হয় । ঘুমাতে যাওয়ার দুই থেকে তিন ঘন্টা আগে খাবার খাওয়া উচিত। আর শোবার সময় টাইট ফিটিং জামা কাপড় পরবেন না এতে করে পেটের উপর চাপ পড়ে স্টমাকের উপর চাপ করতে পারে এতে করে অ্যাসিড রিফ্লেক্স হতে পারে। যাদের গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত এসিডিটি হয় তারা ফ্যাটি খাবার , মসলাযুক্ত খাবার , প্রসেসিং খাবা্র, ভাজাপোড়া খাবার, সাইট্রাস জাতীয় ফল ,কফি এড়িয়ে চলবেন।
পেট জ্বালাপোড়া কমানোর খাবার
গর্ভাবস্থায় পেট জ্বালাপোড়া কমানোর ঘরোয়া উপায় এর পাশাপাশি গর্ভাবস্থায়
এসিডিটি বা হাট বার্ন বা গ্যাস্ট্রিকের প্রবলেম আমরা ঘরোয়া উপায়ে কমাতে পারি ।
আপনি গর্ভাবস্থায় পেট জ্বালাপোড়া সমস্যায় ভুগছেন কিংবা বদহজমের তা থেকে কিভাবে
ভালো থাকবে কি খেলে কি করলে ভালো থাকবেন সেই ব্যাপারে নিম্নে আলোচনা করা হলোঃ
- আদা খেতে পারেন আদার মধ্যে জিনজার থাকে । জিনজার এরমধ্যে একটি এন্টি ইনফারমেটিভ প্রপার্টি আছে এটা ডাইজেশন কে বুস্ট করে। শুধু তাই নয় অ্যাসিড প্রোডাকশনকে কমিয়ে দেয় ।
- তুলসী পাতা খেতে পারেন । এর মধ্যে ইউজেনাল কেমিক্যাল কম্পাউন্ড থাকে। যেটা একটা এন্টি ইনফ্ল্যাটারি অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল যে প্রপার্টি আছে, প্লাস কারমেনিক প্রোপারটি আছে । খাবার পরে তুলসী ভিজানো পানি বা তুলসী রস খেলে পেটের ভারি ভাব কমে যায় ।
- অ্যালোভেরা জুস খেতে পারেন। এটি এসিড প্রোডাকশন কমিয়ে দেয়। শুধু তাই নয় এটা স্টমাকে লাইনিং সেটাকে ঠিক রাখতে সাহায্য করে । এতে করে পেট জ্বালাপোড়া হতে মুক্তি পেতে সাহায্য করে ।
- কলা একটি অ্যালকাইন খাবার। ক্ষার জাতীয় খাবার। ক্ষার এসিডকে নিউট্রোলাইজড করে । ফলে এসিডকে নিউট্রিলাইজড করতে কলা এর জুড়ি মেলা ভার।
- ঠান্ডা দুধ খাওয়া। দুধে থাকা ক্যালসিয়াম কার্বনেট যে সল্ট সেটা এসিড রিঅ্যাকশন এসিডকে নিউট্রলাইজড করতে পারে।
- আপেল সিডার ভিনেগার। এক চামচ এক গ্লাস পানিতে গুলে খেলে এসিড প্রোডাকশন কমে যায়।
- মৌরি তে এনেথাল বলে কম্পাউন্ড থাকে । সেটা গ্যাস্ট্রিক এসিড প্রোডাকশন কে নিউট্রিলাইট করে ফেলে । খাবার পরে মৌরি খেলে যে কেমিক্যাল কম্পাউন্ড এনিথল আছে তা গ্যাস্ট্রিক কে নিউট্রোলাইজড করে।
- কেমোমাইল চা খেতে পারেন । যা পেটে বুকে জ্বালাপোড়া থেকে দূরে রাখে ।
- গুড়ে আছে পটাশিয়াম , ম্যাগনেসিয়াম ও আইরন যা গ্যাস্ট্রিকে থাকা ব্যক্তিদের জন্য অত্যন্ত ভালো।
- যষ্টিমধু হচ্ছে তোমাকে লাইনিং টাকে মজবুত করে।
- বাটার মিল্ক বা ঘোল যা ডাইজেশনকে ভালো করে।
- ডাবের পানিতে পটাশিয়াম , ম্যাগনেসিয়াম , পিএইচ ব্যালাসিন প্রপার্টি আছে । যা ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচায় ।
- জুয়ান জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করতে পারে।
গর্ভাবস্থায় পেট জ্বালাপোড়া করলে যা করবেন
যথাসম্ভব আপনাকে যেকোনো ওষুধ এড়িয়ে চলতে হবে। ঔষধ সেবন করতে হলে বিশেষজ্ঞ
ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। প্রতিদিনের জীবনে ও খাবারের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম
মেনে চলতে হবে। অনেকের অভ্যাস থাকে খেতে বসে সামনের সব খাবার খেয়ে ফেলা বা একই
সাথে অনেক খাবার গ্রহণ করা । যা স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো না । গর্ভবতী মায়ের
উচিত অনেক বেশি করে না খেয়ে অল্প অল্প করে বারবার খাওয়া । দৈনিক তিন বেলা
খাবারের রুটিন পরিবর্তন করে পাঁচ থেকে ছয় বাড়ে তা উন্নীত করলে এটি অত্যন্ত সহজ
হবে ।
এছাড়া রয়েছে তাড়াহুড়ো করে খাবার অভ্যাস। যা অবশ্যই বর্জনীয় । খাবার আস্তে আস্তে ও ভালোভাবে চিবিয়ে খাওয়ার মাধ্যমে খাবারের সঠিক হজম হওয়া এবং তার ফলে শরীরে অন্য কোন অস্বস্তির উদ্রেক না হওয়া নিশ্চিত হয় । খাবার দ্রুত খেলে হজমের সমস্যা হয় । গর্ভাবস্থায় পেট জ্বালাপোড়া আরও বেশি বেগবান করে । খাবার শেষ করার সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়া উচিত নয় । ঘরের ছোট ছোট কাজগুলো করা উচিত । ধীরে ধীরে হাঁটা চলা বা শারীরিক নড়াচড়া গুলোকে নিয়মিত রাখা উচিত ।
আবার এমন কোন কাজ আপনি করবেন না , যা নুয়ে বা ঝুঁকে করতে হয় । খাবার খেতে হবে
বিছানায় যাওয়ার কমপক্ষে তিন ঘন্টা পূর্বে । ওজনের ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে ।
গর্ভাবস্থায় ওজন কম বা বেশি হওয়া কোনটাই উচিত না । এদিকে নজর দিতে হবে । এটিও
কিন্তু পেট জ্বালা পোড়ার জন্য সমান দায়ী । ঘিরেঢালা পোশাক পরা একজন গর্ভবতী
মায়ের জন্য অতি আবশ্যক । পাকস্থলীকে চেপে রাখে এমন আটসাট পোশাক গর্ভাবস্থায়
একেবারেই বর্জন করা উচিত ।
এতে গ্যাসের সৃষ্টি হয় । যা পেট জ্বালার সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে তোলে । বাম পাশে
কাত হয়ে ঘুমানো শরীরকে অনেক সময় ভারসাম্যহীনতায় ফেলে । বাম পাশে
শোয়া এর ফলে বেশ উপকারী। ডান পাশ বেছে নিলে খাদ্যনালী ও পাকস্থলীর অবস্থান উঁচু
নিচু থাকে । যার ফলে পেট জ্বালাপোড়া ও বুক জ্বালা হয় । খাবারের সতর্কতা
অত্যন্ত দরকার । যেসব খাবারে পেট জ্বালার জন্য দায়ী তা থেকে অবশ্যই দূরে
থাকা উচিত । যেমনঃ মসলাযুক্ত বা চর্বিযুক্ত খাবার।
গর্ভাবস্থায় পেট জ্বালাপোড়ার লক্ষণ
গর্ভাবস্থায় পেট জ্বালাপোড়া কমানোর ঘরোয়া উপায় জানা গর্ভবতী মায়েদের অত্যাবশ্যক প্রয়োজন। গর্ভধারণ নারী জীবনের এক অন্যতম সফল এবং সুপ্ত মিশ্রিত অভিজ্ঞতা । এই সময়ে নারীরা সম্মুখীন হন নানাবিধ স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে । গর্ভধারণের সাথে সাথে নারীর শরীরে হরমোনের পরিবর্তন সহ নানা ধরনের উপসর্গ দেখা যায় । আর গর্ভাবস্থায় অনেকগুলো অস্বস্তি ও অসুবিধা পেছনে এই হরমোনের পরিবর্তন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণভাবে দায়ী ।
যার মধ্যে একটি পেট জ্বালা ও বুক জ্বালা। যা হবু মাকে অত্যন্ত চাপ ও
অস্বস্তিতে থাকতে হয়। গর্ভাবস্থায় পেট জ্বালাপোড়ার মতো হজমের সমস্যা হলে
সাধারণত নিচের লক্ষণগুলো দেখা যায় ।
- পেট জ্বালাপোড়া অথবা ব্যথা হওয়া
- মুখের টক স্বাদ আসা
- পেট ফাঁপা অথবা ভরা ভরা লাগা
- গলা জ্বলা ও গলায় খাবার উঠে আসা
সাধারণত খাবার খেয়ে নেওয়ার পর পর অথবা পানী জাতীয় দ্রব্য পান করার পরপরই কিংবা
খাওয়ার সামান্য কিছুক্ষণের মধ্যে শুয়ে গেলে এসিডিটির লক্ষণগুলো দেখা যায়
। তবে কখনো কখনো দেখা গেছে যে খাবার খাওয়ার বেশ অনেকক্ষণ পর পেট জ্বালাপোড়া হতে
শুরু করে। এই জ্বালাপোড়া অনেক সময় কয়েক মিনিট থেকে শুরু করে কয়েক ঘণ্টা
পর্যন্ত থাকতে পারে।
গর্ভাবস্থায় কেন পেট জ্বালাপোড়া হয়
গর্ভাবস্থায় নারীদের সম্মুখীন হতে হয় নানা ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যয়। তখন অনেক
সময় দেখা যায় মা দেরকে গভীর উদ্রেক বাড়িয়ে দেয় । অনেক গর্ভবতীদের চোখে ঘুম
পর্যন্ত বিসর্জন দিতে বাধ্য হয় । মা তো বটেই অনাগত সন্তানের জন্য এ অবস্থায়
গর্ভে শিশুর জন্য হুটহাট কোন পরিবর্তন এ কখনো কখনো ওষুধ সেবন করা যায় না।
দৈনন্দিন চলাফেরা ও খাদ্যাভাসে কিছুটা সচেতন পরিবর্তন আনলে একজন মা অত্যন্ত
সত্যিকর গর্ভাবস্থায় পেতে পারে।
আরো পড়ুনঃ শিশুর নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার
গর্ভধারণের পাশাপাশি সাধারণ অবস্থায় যেসব কারণে পেট জ্বালাপোড়া হয়ে থাকে ,
সেসব কারণ গুলো গর্ভবতী নারীদের জন্য নিম্নে আলোচনা করা হলো ।
- প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত খাবার খেলে ।
- ঝাল অথবা তৈলাক্ত খাবার খেলে ।
- টক জাতীয় খাবার খেলে। যেমনঃ টমেটো ।
- চকলেট খেলে এবং কফি পান করলে ।
- অতিরিক্ত ওজন হলে ।
- মানসিক চাপ বা স্ট্রেসে থাকলে ।
- গর্ব অবস্থায় আগে থেকেই বদহজমের সমস্যা থাকলে ।
- কোন ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলে ।
- পূর্বের কোন গর্ভকালীন সময়ে পেট জ্বালাপোড়ার সমস্যা থাকলে ।
গর্ভাবস্থায় এসিডিটি ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমানো
গর্ভাবস্থায় কখন ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন
- খাদ্যাভাস ও জীবনধারা পরিবর্তনের পরেও উপকার না হলে
- খাবার খেতে সমস্যা হলে অথবা খাওয়ার পরে বমি হয়ে গেলে
- পেট ব্যথা হলে
- বারবার বমি হলে
- পায়খানা কালো হলে
- খাবার গিলতে সমস্যা অথবা গলায় আটকে যাচ্ছে মনে হলে
- কোন চেষ্টা ছাড়াই ওজন কমে গেলে ।
- তীব্র পেট জ্বালাপোড়া অথবা মুখ জ্বালাপোড়া বা ব্যথা হলে ।
- পেট জ্বালাপোড়ার সাথে সাথে জ্বর অথবা মাথা ব্যথা থাকলে।

.webp)
.webp)
আপনার মূল্যবান মতামত দেন। এখানে প্রতিটি মতামতের রিভিউ প্রদান করা হয়।
comment url